For a better experience please change your browser to CHROME, FIREFOX, OPERA or Internet Explorer.

চুনীলাল বসু

চুনীলাল বসু (১৮৬১-১৯৩০): চিকিৎসাশাস্ত্র ও রসায়নে সমান পারদর্শী চুনীলাল বসু ভারতবর্ষের সর্বকালের একজন প্রথম সারির বরেণ্য বিজ্ঞানী। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মধ্যে তিনিই প্রথম রসায়নের অধ্যাপক পদ পান (১৮৯৮)। বাংলার লতাপাতা, শাকসবজির খাদ্য ও ভেষজ গুণাবলির অনুসন্ধান তার অবিস্মরণীয় কীর্তি। কলকাতার দৃষ্টিহীন শিক্ষাকেন্দ্র এবং অনাথাশ্রম প্রতিষ্ঠায় তার অবদান উল্লেখযােগ্য। বাংলা ভাষায় বহু চিকিৎসা ও রসায়ন বিষয়ক গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। তার কয়েকটি বহুলপরিচিত গ্রন্থ হল ফলিত-রসায়ন, রসায়নসূত্র, পল্লীস্বাস্থ্য প্রভৃতি।

দেশজ রসায়নে উল্লেখযােগ্য অবদানের জন্য কাশি মহামণ্ডল তাকে রসায়নাচার্য উপাধিতে ভূষিত করে। স্কুল অফ ট্রপিকাল মেডিসিনে বহুমূত্র রােগ নিয়ে তাঁর গবেষণা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছিল। প্রসিদ্ধ বিজ্ঞানী ডা. লেবার্ড রজার্স যখন কুষ্ঠরােগ নিবারণের জন্য ইনজেকশন প্রস্তুতির গবেষণায় ব্যাপৃত ছিলেন,

তখন চুনীলাল বসু গাইনােকার্ডিক অ্যাসিড থেকে পরিশুদ্ধ দ্রাবক তৈরির ব্যাপারে তাঁকে সাহায্য করেন।

করবী ফুলের রাসায়নিক ক্রিয়া ও বিষক্রিয়ার বিশ্লেষণ তার একটি উল্লেখযােগ্য গবেষণা। ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে স্থাপিত ক্যালকাটা মেডিক্যাল ক্লাবের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি Indian Association for the Cultivation of Science-এর সহ-সভাপতি ও কলকাতার শেরিফ ছিলেন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল জার্নালের সম্পাদক ছিলেন।

১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি পরিশােষিত লবণদ্রবের সাহায্যে বিষপানে মৃত মানুষ ও গাে-মহিষাদির অ্ত্রাদিকেকীভাবে পচন থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে বিশদ গবেষণা করে সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেন। পরবর্তীকালে সরকার সেই পদ্ধতি দেশের নানা অঞ্চলে কার্যকর করে। সোর্স – পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (বাংলা ভাষা ও শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ইতিহাস

leave your comment

Categories

Top